হরিপুরে চলছে রমরমা আইপিএল জুয়া

0
190

হরিপুর উপজেলা চলছে আইপিএল রমরমা জুয়ার আসর৷

চলমান ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় দেশীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লীগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের এ জমজমাট লিগকে ঘিরে এক ধরনের অসাধু চক্র প্রতিনিয়তই খেলছে জুয়া। ‘আইপিএল জুয়া’ এখন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উপজেলায়৷

হরিপুর সবখানে চলছে রমরমা আইপিএল ক্রিকেট জুয়া ৷সারা বছর অনুষ্ঠিত হয়৷ আন্তর্জাতিক,টি-টোয়েনটি,টেস্ট,ওয়ানডে,বিশ্বকাপ,আইপিএল,বিপিএল সহ দেশ-বিদেশ ও ঘরোয়া লিগগুলো ঘিরে বাজিকরদের চলছে রমরমা ক্রিকেট জুয়ার বাণিজ্য ৷এতে জড়িয়ে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা,বেকার যুবক,ব্যবসায়ী,ভ্যানচালক,নাপিত ও নিম্ন আয়ের মানুষ৷
উপজেলার বিভিন্ন দোকানে,বাসা,ক্লাব চত্বর,পাড়া-মহল্লসহ যেখানে টিভি সেখানে ক্রিকেট জুয়ার মহাৎসব ৷প্রতিদিন চলে লাখ লাখ টাকা বাজি৷ক্রিকেট জুয়ারিরা অনেটাই প্রশাসনের ধরার্ছোয়ার বাইরে থাকছে ৷
জানাযায়,ক্রিকেট জুয়া শুধু সরাসরি নয় মুঠোফোনে এসএসএস দিয়ে ও ফোন কলের মাধ্যমে ও জুয়ার ডিলার দের সাথে যোগাযোগ করে বাজি ধরা হয়৷

অন্য বাজি করদের সাথেও বাজি ধরা হয়৷কে বেশী উইকেট পাবে,কে বেশি ছক্কা মারবে,কে বেশি চার মারবে,কোন খেলুয়ার বেশি রান পাবে,কোন বলে ছক্কা বা চার বেশি হবে এসবের ওপর প্রতি মূহূর্তে চলে বাজিকরদের বাজি খেলা৷
ক্রিকেট জুয়ার খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত সাধারণ মানুষ ৷ উপজেলার নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েক জন ব্যাক্তি বলেন,উপজেলার জুয়ার খেলা পরিচালনা করে হাতে গুনা কয়েক জন ডিলার৷তাদের কে আইনের আওতায় আনা হলে অনেকটাই কমে যাবে ক্রিকেট জুয়া৷বর্তমানে জুয়ার কয়েকজন ডিলার তাদের বাসায় বসে মুঠোফোনের মাধ্যমে জুয়ারীদের মুঠোফোনে এমএমএস দিয়ে বাজি ধরে৷অনেক সময় সাথে নিয়ে আসা টাকা হেরে গেলে৷
মোবাইল,সাইসাইকেল,মোটর সাইকেল,হাত ঘরি,স্বর্ণের চেল,নাক ফুল,কানের দুল বন্ধক দিয়ে আবার জুয়ার বাজি ধরে৷
যাদুরাণী জুয়ার খেলার তিন চার জন ডিলারদের মধ্যে একজন সব থেকে বড় সুদ ব্যবসায়ী রয়েছে৷যাদুরাণী বাজারে জুয়ার স্পট নাপিত পট্রী,যাদুরাণী বাজার মাছ হাটির পাশে একটি চা বিস্কুটের দোকান আছে৷ দোকানটি শুধুমাত্র ক্রিকেট খেলার সময় চলে৷

চলমান আইপিএল ক্রিকেট জুয়া খেলায়,নাম না প্রকাশ করার শর্তে একজন বলেন,আমি লোভে পড়ে ক্রিকেট জুয়ায় বাজি ধরে৷হাজার হাজার টাকা হেরে গেছি৷আমার মতো অনেকে অনেক টাকা বাজি ধরে হেরে গেছে৷অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছে৷ক্রিকেট জুয়া বন্ধে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি৷

এবিষয়ে হরিপুর থানা অফিসার ইনর্চাজ মো: আওরঙ্গজেব বলেন,মূলত আইপিএল জুয়া খেলাটি কম্পিউটার বা ডিভাইস ভিত্তিক একটি চক্র সুকৌশলে এই কাজটি করে থাকে৷
মূলত ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে অভিযোগ করে না আমরা সাধারন জনগনের কাছ থেকে মৌখিকভাবে জানতে পেয়েছি কিছু কিছু এলাকায় গোপনে একটি চক্র আইপিএল চালিয়ে যাচ্ছে৷ আমরা অনুসন্ধান করে অতি শীঘ্রই এই চক্রটিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব৷

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে