রাণীশংকৈলে ২১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ

রাণীশংকৈলে আমনের মাঠে দিগন্ত জুড়ে সবুজের সমারোহ

0
130

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি: কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দমাতে পারেনি বাংলার কৃষককে। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যাকে পিছনে ফেলে জমিতে রোপন করেছেন ধান সেই ধান ক্ষেত কৃষকের নিবিড় যত্নে বেড়ে ওঠছে। আর এই ধান ক্ষেতে কোমর বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলার মানবসম্পদ কৃষক-কৃষাণিরা। রোপা আমনের মাঠে পুরুষরাও কাজ করলেও দিন মজুর হিসেবে কাজ করছেন নারীরাও। তাদের নিবিড় যত্ন আর ভালবাসায় বেড়ে ওঠছে রোপা আমন। দু চোখ মেললেই দিগন্তজুড়ে চোখে পড়ছে যেন সবুজে ভরে গেছে আমন ধানের মাঠ। চলতি আমন মৌসুমে মাঠের পর মাঠ যেন সবুজে ভরে গেছে । সত্যিই এই দৃশ্য না দেখলে বুঝা যায়না। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ২১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কথা হয় উপজেলার হবিবর,নজরুল ইসলাম এবং শাহাদত হোসেন এর সাথে । তারা বলেন, নিয়মিত সেচ ও সার প্রয়োগ করার ফলে রোপা আমনের ধান সুন্দর ভাবে বেড়ে ওঠছে। কোনো রোগ-বালাই এর আক্রমণ না হলে ভালো ফলন পাবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। কৃষক যাতে ভালো ফলন পায় সেজন্য উপজেলার কৃষি অফিস নানারকম পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছেন বলে জানান কয়েকজন কৃষক।

উপজেলার সব এলাকার চিত্র প্রায় একই রকম। নিয়মিত সেচ, সার প্রয়োগ,গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি এবং কৃষকের হাতের নিবিড় যত্নে বেড়ে ওঠছে ধানের চারা। যতই ধানের চেহারা সুন্দর দেখাচ্ছে ততই কৃষকের মুখে হাসি ফুটছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, এ উপজেলায় এবার নানা ধরনের ধান চাষ হলেও ব্রি ৫১,৫২,৩৪,৮৭ এবং ৭২ জাতের ধান চাষ হয়েছে বেশি। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তেমন কোনো রোগ বালাই চোখে পড়ছেনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার না হলে শেষ পর্যন্ত যদি এ আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে কৃষক ভালো ফলন পাবেন বলে তিনি আশা করছেন। এবং কৃষক যাতে ভালো ফলন পায় সেজন্য কৃষি দপ্তর তাদের পাশে সবসময় আছে বলে তিনি জানান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে