বিবাহের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার উপায়!

0
118

ভালোবাসা, সময় ও প্রচেষ্টায় বিবাহের সম্পর্ক মজবুত হয়। তবে পথটা সবসময় সহজ নয়। এর জন্য অনেক সময় অনেক বেশি সময় ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হতে পারে। সম্পর্ক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে বিবাহের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।
যোগাযোগ: বিবাহের সম্পর্কে যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনের সব ঘটনা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি সঙ্গীর সঙ্গে আলোচনা করুন। মনে রাখবেন, সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখাটাও জরুরি। আপনার ভালো খারাপ সবটাই তার সঙ্গে আলোচনা করুন। তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা আনন্দের অনুভূতি বাড়ায়, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গা সৃষ্টি করে, এমনকি মানসিক চাপ কমাতেও সহায়তা করে। ফলে সম্পর্কে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।

অন্তরঙ্গতাকে গুরুত্ব দিন: শারীরিক ও মানসিক অন্তরঙ্গতা নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। তবে এসব কথা বলার ক্ষেত্রে নিরাপদ স্থান বেছে নিন, এতে সঙ্গী এই বিষয়ে কথা বলতে অস্বস্তিবোধ করবেন না। শারীরিক ও মানসিক বন্ধনের জন্য শারীরিক সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো উপায়। এটা সঙ্গীর সঙ্গে উন্নত যোগাযোগ রক্ষায় ও ভালো বোঝাপড়াতে সহায়তা করে। একেক জনের এক এক ধরনের প্রত্যাশা ও অভিজ্ঞতা থাকতে পারে। তাই একে অপরের মনোভাব বোঝার জন্য অন্তরঙ্গতাকে প্রাধান্য দিন।

ভালো শ্রোতা: সম্পর্কে কথোপকথন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে জরুরি কথা বা মজার কোনো আলাপচারিতাতে ভালো শ্রোতা থাকাও প্রয়োজন। সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা তার সমস্যা বুঝতে সহায়তা করে। সঙ্গীর মনেরভাব প্রকাশের সময় বাধা দান করবেন না। আপনার কাছে তার কথা যতই মূল্যহীন বা অযৌক্তিক মনে হোক না কেনো।

একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা: সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা প্রয়োজন। সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ তাকে বিশ্বাস করতে সাহায্য করে যে আপনি সত্যিই তাকে নিয়ে সন্তুষ্ট। নিয়মিত এই চর্চা সঙ্গীকে আনন্দিত করে ও ভালোবাসার অনুভূতি বাড়ায়। ছোটখাট প্রকাশ যেমন- বিশেষ খাবার প্রস্তুত করা, ঘরের কাজের দায়িত্ব নিয়ে অথবা কখনও রাতে বাইরে খেতে নিয়ে গিয়েও সম্পর্কে বড় ধরনের ইতিবাচক পার্থক্য সৃষ্টি করা যায়। ভালোবাসা ও ধৈর্য্য সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ও মধুর করতে সহায়তা করে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে